বিমানের এই ৭টি কার্যকরী তথ্য, যা আপনার অজানা

বিমানে এটাই কি আপনার প্রথম যাত্রা? তাহলে আপনার জন্য খুব কার্যকরী এই তথ্যগুলো। তবে আপনি যদি হরহামেশা যেয়েও থাকেন তাহলেও হয়ত জানেন না এর অনেক কিছুই। কারণ আলাদাভাবে উল্লেখ করে এই কথাগুলো কেউ কখনো বলে না।

খাবার: বিমানভ্রমণে ফ্লাইট এটেন্ডেন্টরা যে খাবার পরিবেশন করে তা আপনারই জন্য। সব খাবার পরিবেশনের পরও কিছু বাড়তি খাবার থাকে। তাই আপনার যদি পেটে ক্ষুদা থাকে বা আরও খাওয়ার ইচ্ছে থাকে তাহলে বিনা সংকোচে আপনি খাবার চাইতে পারেন।

সুরক্ষা: বিমানের সুরক্ষা ব্যবস্থা ঠিক আছে কিনা দেখুন। অন্তত যে কিটসগুলো আপনার সিটের সাথে সংযুক্ত থাকে সেগুলো চেক করে নিন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি অনেক যাত্রীই আসনের সাথে সংযুক্ত জীবন রক্ষাকারী এসব কিটস খুলে নিয়ে যায়! তাই দেখে নিন তেমন কোনো চোরের কবলে পড়েছে কিনা আপনার জায়গাটি!

ধূমপান: বিমানে ধূমপান করা নিষেধ হলেও অনেক ধূমপায়ীর পক্ষে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। তারা নিজের অজান্তেই কখন ধূমপান করতে শুরু করেন! আপনি হয়ত জানেন না আপনার মতো ধূমপায়ীদের জন্য বিমানের ওয়াশরুমে এস্ট্রে দেওয়া আছে। সেখানে ধূমপান করুন এরপর বিপুল অংকের জরিমানা দিন।

শুচিবায়ু: আপনার কি পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কোনো শুচিবায়ুগ্রস্থতা আছে? জেনে রাখুন, বিমানের আসনটি কিন্তু তেমন পরিচ্ছন্ন নয়। সেটা ঝেড়ে মুছে রাখা হয় মাত্র! খাবারের ট্রেটিও টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলা হয়েছে। প্লেনে কোনোকিছুই ধুয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়।

টয়লেট: জেনে রাখুন, টয়লেটের দরজাটি বাইরে থেকেও খোলা যায়। তাই এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই যে আপনি কোনোভাবে ভেতরে আটকে গেলে আর বের হওয়ার উপায় নেই। মূলত, অনেক বিমানেই টয়লেট দরজায় এমন একটি ম্যাকানিজম দেওয়া থাকে যে আপনি যদি ধূমপান করেন তাহলে দরজাটি বন্ধ হয়ে যাবে! প্যানিক হবেন না।

এলকোহল: বিমানে কম এলকোহল গ্রহণ করুন। আপনি যতবার চাইবেন আপনাকে ততবারই দেওয়া হবে। কিন্তু যথেচ্ছা এলকোহল গ্রহণ করা ঠিক নয়। বাতাসের চাপ সহ আরও নানান কারণে এলকোহল আপনার উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

পানি: বিমানে অবশ্যই বোতলে পানি পান করুন। আগেই বলেছি, কোনোকিছু ধুয়ে পরিষ্কার করা হয় না এখানে। তাই যে গ্লাসটিতে পানি পান করছেন সেটিতে থাকতে পারে অসংখ্য ব্যাক্টেরিয়া।