ভুলেও মেকআপ না তুলে ঘুমাতে যাবেন না, তাহলে…

মানুষ সুন্দরের পূজারী। সে যেমন নান্দনিক কোনও কিছু দেখে বিমোহিত হয়, ঠিক তেমনি নিজেকেও প্রতিনিয়ত অন্যের সামনে নান্দনিক করে গড়ে তুলতে চায়। তাই সে প্রকৃতিপ্রদত্ত সৌন্দর্যের পাশাপাশি নিজেকে আরও বেশি সুন্দর করে উপস্থাপন করার জন্য কৃত্রিম উপকরণেরও সাহায্য নেয়।

বিশেষ করে কোনও অনুষ্ঠান হলে তো কথাই নেই। একটু হলেও মেকআপ করা চাই। কিন্তু বেশি মেকআপ মানুষকে সুন্দরের থেকে কিম্ভূতকিমাকারই করে তুলে। তাই মেকআপটা হওয়া চাই শরীরের গঠনের সঙ্গে মানানসই। তবে মেকআপ যেমন করেই করা হোক না কেন এর কিছু মারাত্মক ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।

আমরা অনেক সময়েই বিয়ে বা কোনও পার্টি থেকে রাত করে বাড়ি ফিরে মেকআপ না তুলেই ঘুমিয়ে পড়ি। হতে পারে এটা ক্লান্তি অথবা নিছকই অনিচ্ছার কারণে। কিন্তু আপনার এই অনিচ্ছা বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন মেকআপ না তুলে ঘুমিয়ে পড়ার কারণে আপনার ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

জেনে নেয়া যাক মেকআপ না তুলার কারণে কী কী ক্ষতি হতে পারে

১. মানুষের শরীরে চোখ একটি স্পর্শকাতর অঙ্গ। কিন্তু মেকআপ করার সময় আমরা চোখ দুটোকে সুন্দর করতে জোর দেই বেশি। কিন্তু চোখের মেকআপ না তুলে ঘুমিয়ে পড়লে ভ্রু ও চোখের পাতা ঝরে যায়।

২. মেকআপের রাসায়নিক পদার্থ চোখের নিচের অংশেরও ক্ষতি করে থাকে। ডার্ক সার্কল আসে সহজেই।

৩. অনেকেই লিপস্টিক ভালো করে না তুলে অথবা মুখের ফাউন্ডেশন ভালো করে না সরিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। এতে মেকআপের গুঁড়োয় রোমকূপ আটকে যায়। এতে ব্রণ এবং ত্বকের অন্য সমস্যাও বাড়ে। লিপস্টিকের উপাদান ঠোঁটে বসে গিয়ে তাকে আরও শুষ্ক করে তোলে। এর ফলে ঠোঁটের আশপাশে ডেড সেল তৈরি হয়।

অতএব ত্বককে সুস্থ, সুন্দর ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে অবশ্যই মেকআপ করার পর তা তুলে ফেলতে হবে। না হলে আপনি নিজের অজান্তেই ডেকে আনতে পারেন বড় ধরনের কোনও বিপদ।