বাবা খ্রিষ্টান, মা মুসলিম, এমবাপ্পে পালন করেন কোন ধর্ম?

চলতি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স। দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে আছে তারা। আর ফাইনালে পৌছতে ফ্রান্সের যে কয়েকজন তারকা সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে একজন হলে কিলিয়ান এমবাপ্পে।

ফ্রান্সের খেলোয়ার পগবা একজন মুসলিম। তিনি কিছুদিন আগেও ওমরাহ করে এসেছেন। তবে ফ্রান্সের নতুন তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে কি মুসলিম নাকি খ্রিষ্টান?

এমবাপ্পে কিন্তু জন্মসুত্রেই ফ্রান্সের নাগরিক নয়। তার বয়স যখন দুই বছর তখন তার বাবা মা তাকে নিয়ে ফ্রান্সে চলে আসে। তার বাবা ছিল খ্রিষ্টান এবং মা ছিল মুসলিম। বাবা ক্যামেরুনের নাগরিক এবং মা আলজেরিয়ার। তাই এই দম্পত্তির ঘরে জন্ম নেয়া কিলিয়ান এমবাপ্পে কোন ধর্ম পালন করেন সেটাই ভক্তের সবচেয়ে আগ্রহের বিষয়।

তবে বাবা এবং মায়ের ধর্মের বিষয়ে পরিচয় পাওয়া গেলেও এমবাপ্পে কোন ধর্ম পালন করেন সেটা কিন্তু এখনো জানা যায়নি।

আরোও পড়ুন-

‘ভেবেছিলাম বয়স্ক লোকটার কাছে নিরাপদ থাকব, কিন্তু তিনিও আমাকে…

ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করার সুবাদে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলমের (৭২) সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি নারী নেত্রী। ওই মহিলা নেত্রীর অভিযোগ সরদার মো. শাহ আলম গত তিন বছর ধরে তাকে স্ত্রীর মতো ব্যবহার করলেও তিনি তাকে আইনগতভাবে স্ত্রীর মর্যাদা দেননি। গত কয়েক দিন ধরে তাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দেয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল।

বুধবার দুপর ১২টায় তিনি জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান সরদার শাহ আলমের কক্ষে অবস্থান নিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে খবর পেয়ে বিকাল ৩টার দিকে জেলা পরিষদে হাজির হন সরদার শাহ আলমের স্ত্রী ও জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী শাহানা আলম। তিনি সরদার শাহ আলমের কক্ষে ঢুকেই ওই ছাত্রলীগ নেত্রীকে দেখে তার ওপর চড়াও হয়ে চড়-থাপ্পড় মারেন। একপর্যায়ে তাকে মারতে মারতে রুম থেকে বের করে দেন।

এ সময় স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে শাহ আলম ও শাহানা আলম গাড়িতে উঠে জেলা পরিষদ ত্যাগ করতে চাইলে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রলীগ নেত্রী জোরপূর্বক তাদের গাড়িতে উঠতে চায়। তারা ওই নেত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে তিনি জেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলার ছাদে উঠে সেখান থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় কিছু যুবক ও কয়েকজন যুবলীগ নেতা ওই ছাত্রলীগ নেত্রীকে ধরে ফেলেন এবং তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সদর হাসপাতালের কেবিনে চিকিৎসাধীন ওই ছাত্রলীগ নেত্রী বলেন, মনে করেছিলাম এই বয়স্ক লোকটার কাছে আমি নিরাপদ থাকব কিন্তু তিনিও আমাকে ভোগের সামগ্রী বানালেন। সরদার শাহ আলমের স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ার জন্য আমি প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নেব।