দুই হাতের হৃদয়রেখা মিলে গেলে কি হয় জানেন? খুবই চিত্তাকর্ষক ব্যাপার!

বিজ্ঞান মনষ্মকতার যুগেও জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর বিশ্বাস অপরিসীম। জ্যোতিষ শাস্ত্রের কাজ হল মানুষের অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ নিয়ে চর্চা। মানুষের হাতের রেখায় নিহিত থাকে মানুষের ভাগ্য, এমনটাই বিশ্বাস করে জ্যোতিষ শাস্ত্র। বর্তমানে জ্যোতিষ শাস্ত্রে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে, আবার অনেকেই এসব নিয়ে চর্চা করে থাকেন৷ অথবা অনেকেই আবার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ নিয়ে চর্চায় বিশ্বাস করেন।

তারা বিশ্বাস করেন হাতের রেখায় নির্ভরশীল ভাগ্যকে৷ তাইতো তর্ক-বিতর্কে ঘেরা মানুষের হাতের রেখা নিয়ে প্রচলিত রয়েছে নানা ধরনের কথা৷ হাতের তালুতে যে তিনটি প্রধান রেখা থাকে, তাদের মধ্যে আঙুলের দিক থেকে প্রথম এবং প্রধানতম স্পষ্ট রেখাটি তাকেই বলে হৃদয়রেখা। দু’টি হাতের তালু পাশাপাশি মেলালে দুই তালুর হৃদয়রেখা জুড়ে গিয়ে কি ধরনের আকৃতি তৈরি হচ্ছে, তার উপরই নির্ভর করে আপনার দাম্পত্য জীবন কেমন হতে পারে৷ কী রকম?

আসুন জেনে নেওয়া যাকঃ

১. দুই হাতের তালু পাশাপাশি রাখলে হৃদয়রেখা দু’টি জুড়ে গিয়ে যদি একটি সরলরেখা তৈরি হয়, তাহলে মনে করা হয়: এই ব্যক্তিরা শান্ত-শিষ্ট হন।এঁরা জীবনে স্থিরতার সন্ধান করেন, এবং অশান্তি সৃষ্টিকারী মানুষদের থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। এঁদের অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ হওয়ার সম্ভাবনা সর্বাধিক।

২. দুই হাতের তালু পাশাপাশি রাখলে দুই হৃদয়রেখা যদি কোনও ভাবেই সংযুক্ত না হয়: বলা হয়, এঁরা নিজের বয়সের তুলনায় অনেক বেশি বুদ্ধিমান এবং পরিণত মানুষ। অন্যেরা কি ভাবছেন তা নিয়ে এরা চিন্তিত নন। বয়সে বড় মানুষ এর সঙ্গে বিবাহ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

৩. দুই হাতের তালু পাশাপাশি রাখলে দু’টি হৃদয়রেখা মিলে গিয়ে যদি অর্ধচন্দ্রের আকৃতি ধারন করে: এঁদের মনের জোর অত্যন্ত বেশি হবে। এঁরা যখন কাউকে ভালবাসেন তখন একেবারে মন-প্রাণ দিয়ে ভালবাসেন, অর্থাৎ এরা দুজন দুজনকে প্রকৃত ভালোবাসবে। প্রেমের শীর্ষ স্পর্শ করতে এঁরা সক্ষম হন। ছোটবেলার কিংবা দীর্ঘদিনের পরিচিত কোনও মানুষই জীবনসঙ্গী হিসেবে এঁদের পক্ষে আদর্শ বলে বিবেচিত হন। সাধারণত সে রকম মানুষকেই এঁরা স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে বেছে নেন।

এই বিচার অনুসারে বোঝা যায়, একজন মানুষের হৃদয় কেমন। দুই হাতের হৃদয় রেখার মিলন যত বেশি অর্ধচন্দ্রাকৃতি সেই মানুষ তত কঠোর মানসিকতার। আর যত বেশি সরলরেখার কাছাকাছি ততবেশি নরম হৃদয়ের মানুষ। আর হৃদয়ই তো মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তৈরি করে। আর সেই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুসারেই তৈরি হয় কাজের জগৎ, সাংসারিক ক্ষেত্রের সাফল্য, ব্যর্থতা।